বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
সিঁদুররাঙা হাসিমুখে নেচে গেয়ে দেবীকে বিদায়

সিঁদুররাঙা হাসিমুখে নেচে গেয়ে দেবীকে বিদায়

তাহমিনা আক্তার,নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকের তাল আর শঙ্খের ধ্বনিতে মিশে আছে উৎসব আর বিষাদের সুর। দেবী দুর্গাকে কৈলাসে বিদায় জানানোর মধ্যদিয়ে শেষ হলো সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা।

আজ বিজয়া দশমীর সকালে দর্পণ ও ঘট বিসর্জনের মাধ্যমে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়। এরপর মণ্ডপে মণ্ডপে শুরু হয় প্রতিমা বরণের পালা। সিঁদুরের লাল রঙে নিজেদের রাঙিয়ে নিয়ে সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠেন ভক্তরা। লাল-সাদা শাড়িতে নেচে-গেয়ে নারীরা একে অন্যকে সিঁদুর পরিয়ে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানান।

চার দিনের আনন্দ-হাসি শেষে মায়ের চরণে সিঁদুর ছুঁইয়ে বিদায় জানানোর এই প্রথা শুধু উৎসব নয়, এর পেছনে রয়েছে গভীর বিশ্বাস। হিন্দু নারীদের বিশ্বাস, দেবী দুর্গার পায়ে ছোঁয়ানো এই সিঁদুর সারা বছর সংরক্ষণ করলে বিবাহিত জীবনে সুখ ও সমৃদ্ধি আসে।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস অনুযায়ী, অসুর প্রবৃত্তি, ক্রোধ এবং হিংসা বিসর্জন দেয়াই বিজয়া দশমীর মূল তাৎপর্য। দেবী দুর্গাকে মায়ের রূপে বিদায় জানানোর পাশাপাশি ভক্তরা আগামী বছর আবার ফিরে আসার আকুতিও জানান।

এবারের দেবী মর্ত্যে এসেছিলেন গজ (হাতি)-এর পিঠে চড়ে, যা শস্য-শ্যামলা ধরনির ইঙ্গিত দেয় বলে বিশ্বাস করা হয়। অন্যদিকে দেবী বিদায় নিচ্ছেন পালকিতে করে।

দশমীর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় কল্পারম্ভ বিহিত পূজা, বিশেষ আরতি ও অঞ্জলি দিয়ে। এরপর শুরু হয় প্রতিমা বিসর্জনের প্রস্তুতি।

রাজধানীতে ১০টি ঘাটে দুর্গার প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন হওয়ার কথা। এর জন্য বুড়িগঙ্গা, তুরাগ ও বালু নদের ১০টি পয়েন্ট প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সন্ধ্যার আগেই বিসর্জনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার আহ্বান জানিয়েছেন।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com